Movie,Software,Games,Live Radio,E-Book, University List, Computer Tips, Sample of Reports & Letters How To save Time And Money by the Perfect Website? Visit Us and Obsessed With Downloads  
Loading
Showing posts with label Chollishe Bangladesh. Show all posts
Showing posts with label Chollishe Bangladesh. Show all posts

চল্লিশে বাংলাদেশ

চল্লিশে বাংলাদেশ
............................................................................................................

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪০ বছরে ৪০ টি স্মরণীয় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা নিয়ে বিবিসি বাংলার বিশেষ আয়োজন। ২৬শে মার্চ ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার পর তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শুরু করে বাঙালিরা। সূচনা হয় স্বাধীনতা যুদ্ধের। কিন্তু কী ঘটেছিল সেদিন? কীভাবে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ? প্রতক্ষ্যদর্শীর জবানীতে সেই কথা শুনুন ...
............................................................................................................

ডাউনলোড করুন ও লাইভ শুনুন 
............................................................................................................


Please Click "SKIP AD" For Download
............................................................................................................
সূচীপত্র
............................................................................................................
  1. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-১ - বিষয় - স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা 
  2. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-২ - বিষয় - মুজিব নগর সরকার গঠন  
  3. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৩ - বিষয় - বিজয় দিবস 
  4. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৪ - বিষয় - শেখ মুজিবের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন 
  5. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৫ - বিষয় - ভারতের সামরিক বাহিনীর বিদায় 
  6. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৬ - বিষয় - ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি
  7. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৭ - বিষয় - বিদ্রোহী কবির আগমন 
  8. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৮ - বিষয় - বাংলাদেশের নতুন সংবিধান 
  9. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৯ - বিষয় - ওআইসি-তে বাংলাদেশের যোগদান 
  10. চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-১০ - বিষয় - ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ 
  11. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় -জাতিসংঘে বাংলাদেশ 
  12. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় - সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী 
  13. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় - শেখ মুজিব হত্যা 
  14. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় - জেলখানায় হত্যাকান্ড 
  15. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় - ৭ই নভেম্বরের অভ্যুত্থান 
  16. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় - বাংলাদেশে মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলি 
  17. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় - জিয়া হত্যা 
  18. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় - জেনারেল এরশাদের ক্ষমতাগ্রহণ
  19. চল্লিশে বাংলাদেশ - বিষয় - গ্রামীন ব্যাংক প্রতিষ্ঠা
  20. চল্লিশে বাংলাদেশ -ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হল
  21. চল্লিশে বাংলাদেশ -অমর একুশে বইমেলার প্রথম যাত্রা 
  22. চল্লিশে বাংলাদেশ -শারমিন রীমা হত্যা 
  23. চল্লিশে বাংলাদেশ -এরশাদের পতন
  24. চল্লিশে বাংলাদেশ -১৯৯১-র বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়
  25. চল্লিশে বাংলাদেশ -নাটক ‘কোথাও কেউ নেই’ 'বাকের ভাই' 
  26. চল্লিশে বাংলাদেশ - বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী
  27. চল্লিশে বাংলাদেশ বাংলাদেশে মোবাইল প্রযুক্তি
  28. চল্লিশে বাংলাদেশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাশ
  29. চল্লিশে বাংলাদেশ সুপারস্টার সালমান শাহ'র মৃত্যু 
  30. চল্লিশে বাংলাদেশ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর
  31. চল্লিশে বাংলাদেশ প্রথম বেসরকারি টিভি চ্যানেল
  32. চল্লিশে বাংলাদেশ বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি
  33. চল্লিশে বাংলাদেশ রৌমারি সীমান্ত সংঘাত
  34. চল্লিশে বাংলাদেশ একুশে অগাস্ট গ্রেনেড হামলা
  35. চল্লিশে বাংলাদেশ - শান্তিতে নোবেল জয়
  36. চল্লিশে বাংলাদেশ ১১ই জানুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  37. চল্লিশে বাংলাদেশ বিডিআর বিদ্রোহ
  38. চল্লিশে বাংলাদেশ ঢাকায় শাহরুখ খান
  39. চল্লিশে বাংলাদেশ - বাংলাদেশে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধন
  40. চল্লিশে বাংলাদেশ : যুদ্ধাপরাধের বিচার

চল্লিশে বাংলাদেশ - প্রথম পর্ব - বিষয়ঃ স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা

চল্লিশে বাংলাদেশ - প্রথম পর্ব
বিষয় - স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪০ বছরে ৪০ টি স্মরণীয় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা নিয়ে বিবিসি বাংলার বিশেষ আয়োজন। ২৬শে মার্চ ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার পর তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শুরু করে বাঙালিরা। সূচনা হয় স্বাধীনতা যুদ্ধের। কিন্তু কী ঘটেছিল সেদিন? কীভাবে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ? প্রতক্ষ্যদর্শীর জবানীতে সেই কথা শুনুন প্রথম পর্বে
সময়কাল: 10:24
.......................................................................................................
   ........................................................................................................
.......................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-২


চল্লিশে বাংলাদেশ - দ্বিতীয় পর্ব
মুজিব নগর সরকার গঠন

শেখ মুজিবর রহমানের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মন্ত্রি পরিষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মেহেরপুরে তাৎক্ষণিকভাবে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে। ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় এক আমবাগানে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার।প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ ছাড়াও তিনি মন্ত্রী হিসাবে অনুষ্ঠানে হাজির করেন ক্যাপটেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে। নাম ঘোষণা করেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের।

এই মুজিবনগর সরকারের অধীনেই পরিচালিত হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা, যা পরে মুজিবনগর নামে পরিচিতি পায়, সেখানে অস্থায়ী সরকারের শপথগ্রহণের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছিল তা আয়োজনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন সেসময় মেহেরপুরের সাবডিভিশনাল অফিসার তৌফিক ই এলাহী চোধুরী, যিনি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা। ওই অনুষ্ঠানে আরো পস্থিত ছিলেন সেসময় মাগুরার মহকুমা প্রশাসক ওয়ালিউল ইসলাম। তিনিও বলেছেন তাঁর সেদিনের কিছু অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেছেন ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের নানা খুঁটিনাটি কথা।
সময়কাল: 11:44

মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ

বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান

............................................................................................................
............................................................................................................
............................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৩


চল্লিশে বাংলাদেশ- তৃতীয় পর্ব
বিজয় দিবস
১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ - প্রায় নয় মাস যুদ্ধের পর যৌথবাহিনীর কাছে ঢাকায় আত্মসমর্পণ করল পাকিস্তানি বাহিনী।সেদিন সকাল থেকেই ছিল উৎকণ্ঠিত অপেক্ষা। কখন সাদা পতাকা উড়বে তা দেখার জন্য দুরু দুরু বুকে অপেক্ষা করছিলেন মানুষ। তেমনই একজন ছিলেন এলিফ্যান্ট রোডের বাসিন্দা রাশিদা হোসেন। তিনি বলেছেন সেই অপেক্ষার মুহুর্তগুলোর কথা। সে সময়কার মুক্তিযোদ্ধা, বর্তমানে নাট্যকার, নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু ঢাকায় প্রবেশের পর দেখেছিলেন মানুষের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। সে কথা রয়েছে তাঁর বর্ণনায়।আর আরেকজন মুক্তিযোদ্ধা জহিরুদ্দিন জালাল হাজির ছিলেন আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরের সময়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা?
চল্লিশে বাংলাদেশের এই পর্বে রয়েছে সেই সব প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতার কথা।

pakistan surrender
রমনা রেসকোর্সে লেফটেনান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করছেন পাকিস্তানি বাহিনীর কমান্ডার লেফটেনান্ট জেনারেল নিয়াজি


.......................................................................................................


.......................................................................................................


........................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৪

চল্লিশে বাংলাদেশ -চতুর্থ পর্ব
শেখ মুজিবের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

১০ই জানুয়ারি ১৯৭২। সবাই তখন এক সাথে বিমান বন্দরে জমা হতে থাকেন। সব জায়গায় খবর ছড়িয়ে গেছে দীর্ঘ নয়মাসের বেশি পাকিস্তানে বন্দী থাকার পর স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশে ফিরছেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি যাবেন রমনার রেসকোর্সে। স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে দেবেন তাঁর প্রথম ভাষণ। বিমানবন্দর আর রেসকোর্সের আশেপাশে ছিল মানুষের ঢল।

বিমানবন্দরে একদম কাছ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে লক্ষ লক্ষ মানুষের সেই উচ্ছ্বাস প্রত্যক্ষ করেছিলেন ব্যবসায়ী আজিজুল হক। সে সময় জগন্নাথ কলেজের ছাত্র মাহবুব হোসেনও দেখেছিলেন রাস্তায় মানুষের উপচে পড়া ভীড় ও স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতাকে ফিরে পাবার আনন্দ মিছিল।
সময়কাল: 10:00
sheikh mujib returns to Dhaka
বিমানবন্দর থেকে রমনা রেসকোর্স পর্যন্ত কয়েক কিলোমটির পথ ছিল লোকে লোকারণ্য
............................................................................................................
............................................................................................................
............................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৫

চল্লিশে বাংলাদেশ: পঞ্চম পর্ব
ভারতের সামরিক বাহিনীর বিদায়



১৯৭২ সালের ১২ই মার্চ। সেদিন সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে বিদায়ী ভারতীয় সৈন্যদের সম্মান জানাতে একটি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ঢাকা স্টেডিয়ামে। ভারতীয় বাহিনীকে বিদায় জানাতে এবং স্বাধীন বাংলার রূপকার শেখ মুজিবুর রহমানকে দেখতে সেদিন স্টেডিয়ামে ভিড় করেছিল হাজারো জনতা। জয় বাংলা জয় হিন্দ স্লোগানে মুখরিত হতে থাকে পুরো এলাকা।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের চীফ অব স্টাফ জেনারেল জেকবসহ ভারতীয় ও বাংলাদেশী সেনা কর্মকর্তারা। জেনারেল জেকব সেদিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, যৌথবাহিনীর সম্মিলিত প্রচষ্টোতেই এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। বিশ্বের ইতিহাসে এভাবে এত দ্রুত একটি দেশ থেকে বিদেশী সৈন্য প্রত্যাহারের ঘটনা বিরল।

ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার বাংলাদেশের তৎকালীন লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ও এস-ফোর্সের অধিনায়ক কেএম শফীউল্লাহ। পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী আফতাব আহমেদও। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তৎকালীন মেজর শঙ্কর রায় চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের সময় মূলত মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর মাঝে সমন্বয় সাধনের কাজটি করতেন। তিনি বলছেন, কিভাবে দ্রুত গতিতে তারা নিজ দেশে ফিরে গেলেন।
সময়কাল: 11:22

ভারতীয় সেনাদলের জমায়েত
ভারতীয় সেনাদলের জমায়েত


............................................................................................................


............................................................................................................


............................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৬

চল্লিশে বাংলাদেশ : ষষ্ঠ পর্ব
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি


স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ভূমিকার প্রেক্ষাপটে দুটি রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে ১৯৭২ সালে ১৯ মার্চ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী স্বাধীন বাংলাদেশে এক রাষ্ট্রীয় সফরে এসে ভারতের পক্ষে এবং বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২৫ বছর মেয়াদী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মিসেস গান্ধীর ঐ সফরের সময় বাংলাদশের চিফ অফ প্রোটোকল বা রাষ্ট্রাচার বিষয়াদির দায়িত্বে ছিলেন কূটনীতিক ফারুক চৌধুরী। ১৯৭২ সালে সেই চুক্তিস্বাক্ষরের সময়ের কথা তাঁর স্মৃতিতে এখনো অমলিন।

তিনি বলছিলেন ১২ টি ধারা সম্বলিত এ চুক্তিতে একে অন্যের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখন্ডতার বিষয়ে সম্মান প্রদর্শন করবে এবং কেউই একে অন্যের অভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ করবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয়।

আর অপর দিকে, মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পর পরই ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনে ফার্স্ট সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করছিলেন অরুন্ধতী ঘোষ। তার চোখে দুই রাষ্ট্রের মধ্যকার এই চুক্তি ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতীকি বিষয়।
সময়কাল: 10:06
bangla_india_indira_mujib_treaty

সেই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরের সময় শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী


............................................................................................................

............................................................................................................


............................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৭

চল্লিশে বাংলাদেশ - সপ্তম পর্ব
বিদ্রোহী কবির আগমন


বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের স্বাধীনতালাভের পর তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ১৯৭২ সালের ২৪শে মার্চ। কিংবদন্তীতুল্য এই বিদ্রোহী কবিকে কীভাবে বরণ করেছিল বাংলাদেশের মানুষ। কেমন কেটেছিল ঢাকায় তাঁর দিন?

যে কবির কবিতা ও গান পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হবার জন্য বাঙালিকে প্রেরণা জুগিয়েছিল সেই কবিকে ঢাকায় আনা হচ্ছে এ খবরে ঢাকার মানুষ ছিল উৎসাহে উদ্বেল। সপরিবারে কবিকে বহনকারী বিমানের বিশেষ ফ্লাইট যখন ঢাকা বিমানবন্দরে নামল তখন বাইরে হাজার হাজার মানুষ।

অনেকের মত বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন নজরুল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন জনতার ভিড়ে কবিকে কীভাবে অতিকষ্টে বিমান থেকে নামাতে হয়েছিল। হাজারো মানুষের ভিড় ঠেলে কবিকে নেওয়া হয় ধানমন্ডিতে তাঁর জন্য নির্ধারিত বাড়িতে। সরকারের বরাদ্দ করা সেই বাড়িটি এখন নজরুল ইনস্টিটিউট। বিদ্রোহী কবিকে ঢাকায় আনার পর তাঁকে এক নজর দেখার জন্য বহু মানুষ ভিড় করেছিলেন ধানমন্ডির সেই বাড়িতে। নজরুলসঙ্গীতশিল্পী খালিদ হোসেন বলেছেন কবিভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের মনে হচ্ছিল স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দিয়েছে।
সময়কাল: 10:24


Nazrul tomb
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মসজিদের কাছে নজরুল সমাধি
................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৮

চল্লিশে বাংলাদেশ - অষ্টম পর্ব
বাংলাদেশের নতুন সংবিধান


স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান প্রণয়ন। ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবর রহমান দেশের সংবিধানে স্বাক্ষর করছেন স্বাধীনতা লাভের পর এত দ্রুত সংবিধান রচনা করার নজির খুব কম । ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর তখনকার গণপরিষদে এই সংবিধানটি গৃহীত হয়েছিল। তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড: কামাল হোসেন ছিলেন বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সংবিধানটি বাংলায় রচনা করার সঙ্গে ছিলেন যুক্ত।

ড: কামাল হোসেন বলেছেন ১৯৭২ সালের সম্ভবত ১২ই বা ১৩ই এপ্রিল শেখ মুজিবর রহমান তাঁকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ডেকে পাঠান এবং সংবিধান রচনা কমিটির দায়িত্ব তাঁর কাছে ন্যস্ত করে দিয়ে বলেন সংবিধান রচনা কমিটির সভাপতির পদ তাঁকে দেওয়া হচ্ছে। ড: কামাল হোসেন বলেছেন এরপর এই দায়িত্ব তিনি কীভাবে পালন করেছেন।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেছেন বাংলায় সংবিধান রচনার নজির ছিল এই প্রথম। ভারতের সংবিধান বাংলায় অনুবাদ হয়েছিল এর অনেক পরে। কাজেই যে ভাষাজ্ঞান তাঁর ছিল তার ওপর ভিত্তি করেই এই কঠিন কাজে তাঁরা নেমেছিলেন। ড: কামাল হোসেন এবং অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের কাছে শুনুন সংবিধান প্রণয়নের কাহিনী।


১৯৭২ সালে শেখ মুজিবর রহমান দেশের সংবিধানে স্বাক্ষর করছেন
bangladesh constitution committee
................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-৯

চল্লিশে বাংলাদেশ - নবম পর্ব
ওআইসি-তে বাংলাদেশের যোগদান



বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা অর্গানাইজেশন অভ ইসলামিক কোঅপারেশন বা ওআইসি-তে বাংলাদেশের যোগদান। শেখ মুজিবর রহমান লাহোরে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে গেলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো (ডানে) তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি দেশ হিসেবে ওআইর সদস্যপদ পায় ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী। কিন্তু সেই সদস্যপদ প্রাপ্তির পথ কেমন ছিল আর বাংলাদেশের জন্য তা কতটা গুরুত্বপূর্ন ছিল?

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে দক্ষিন এশিয়া শাখার মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন এ কে এইচ মোর্শেদ যিনি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব হন। সেই সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ছিলেন কূটনীতিক সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী। ওয়াশিংটনে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার দপ্তর থাকায় সেই সময় তাদের সমর্থন আদায়ে তারা কূটনৈতিক কর্মকান্ড চালাচ্ছিলেন। এই দুই সাবেক পররাষ্ট্র সচিবের মুখ থেকে শোনা যাক ওআইসিতে বাংলাদেশের যোগদানের কথা।

শেখ মুজিবর রহমান লাহোরে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে গেলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো (ডানে) তাঁকে অভ্যর্থনা জানান
................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ পর্ব-১০

চল্লিশে বাংলাদেশ : দশম পর্ব
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ


১৯৭৪ সালের অনাহারী মানুষদের কাহিনী থাকছে চল্লিশে বাংলাদেশের এদিনের পর্বে। মাত্র দুবছর আগে স্বাধীন হওয়া নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপ পরিষ্কার করে দেশকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া সবে শুরু হয়েছে মাত্র। কিন্তু তার আগেই দেখা দিল দুর্ভিক্ষ। বছরের শুরুর দিক থেকেই যার লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল।

বাংলাদেশের ঐ দুর্ভিক্ষে কয়েক লক্ষ মানুষ না খেতে পেয়ে অথবা অনাহারজনিত অসুখে ভুগে মারা গিয়েছিলেন। সে সময় নিজেদের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল, আর তখন চারপাশে দেখা মানুষদের গল্পই এখানে তুলে ধরেছেন ঢাকার শাহজাহানপুরের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস। মিসেস ফাতেমা মান্নান তখন পটুয়াখালী জেলার সুবিদখালী থানায় থাকতেন। নাটোর জেলার শিংড়া থানার নূরজাহান বেগম, শুনবেন তাদের কথাও। এছাড়াও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা বিআইডিএসের গবেষক কে এ এস মুর্শিদ দুর্ভিক্ষের সম্ভাব্য কারণগুলো নিয়ে কথা বলেছেন


১৯৭৪য়ে বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের সময়কার চিত্র
................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ - জাতিসংঘে বাংলাদেশ

চল্লিশে বাংলাদেশ - জাতিসংঘে বাংলাদেশ

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে অন্যান্য দেশের স্বীকৃতি পাওয়া বাংলাদেশের জন্য যেমনটা জরুরি ছিল ঠিক তেমনি ভাবে বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করাটাও প্রয়োজন ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতা লাভের তিন বছর পর ১৯৭৪ সালের ১৭ ই সেপটেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মত উত্তোলন করা হয় বাংলাদেশের পতাকা।

কিন্তু সেই সদস্যপদ প্রাপ্তির পথটা কেমন ছিল এবং বাংলাদেশের জন্যই বা তা কতটা গুরুত্বপূর্ন ছিল? ড: কামাল হোসেন, বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্ণনা করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের সেই গুরুত্বপূর্ণ মূহুর্তের কথা। ফারুক চৌধুরী ছিলেন ১৯৭৪ সালে লন্ডনে ডেপুটি হাইকমিশনার হিসাবে কর্মরত। জাতিসংঘে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় যে ভাষণ দিয়েছিলেন সেটি লেখার কাজ করেছিলেন মি: চৌধুরী। এই কাজটি করার জন্য সে সময়ে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্বল্পকালীন মহাসচিব হিসেবে বাংলাদেশে কর্মরত ছিলেন। ওই ভাষণ লেখা নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন ফারুক চৌধুরী।
সময়কাল: 11:19


শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন বাংলায়

................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ - সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী

চল্লিশে বাংলাদেশ - সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী


বাংলাদেশের স্বাধীনতার কয়েক বছরের মধ্যেই সবচেয়ে বড় ঘটনা হিসেবে সামনে আসে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী। ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়। যার নাম দেয়া হয় বাকশাল। স্বাধীনতার কয়েক বছরের মধ্যেই এ ধরনের ব্যবস্থা চালু করা অনেকেই বিস্মিত করেছিল।

এদের একজন মইনুল হোসেন৻ যেদিন সংসদে এ বিল পাশ হয় সেদিনের বর্ণনা দিয়ে মি: হোসেন বলছিলেন, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা সেদিন খুবই বিষণ্ন ছিলেন। সেই সময়ে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এস এ মালেক বলছেন, চতুর্থ সংশোধনীকে তৎকালীন সময়ের বাস্তবতা এর্ব শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে বিচার করা উচিত।

চল্লিশে বাংলাদেশের এই পর্বটি পরিবেশন করেছেন আকবর হোসেন। এস এ মালেকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাবির মুস্তাফা।
সময়কাল: 13:30
জাতীয় সংসদ ভবন

জাতীয় সংসদ ভবন
................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ - শেখ মুজিব হত্যা

চল্লিশে বাংলাদেশ - শেখ মুজিব হত্যা

sheikh mujibur rahman


১৯৭৫সালের ১৫ই অগাস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন তাঁর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে। আগের রাতে ১৪ ই অগাস্ট অন্যান্য দিনের মতই রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান বাড়ি ফেরেন রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এবং খাওয়া দাওয়া সেরে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়েন রাত প্রায় বারোটা নাগাদ। সে বাড়ির নিচের একটি কক্ষে তখন কর্মরত ছিলেন মুহিতুল ইসলাম, যিনি ঘুমতে যান রাত তিনটে নাগাদ।

এর কিছুক্ষণ পরে সেই বাড়ির টেলিফোনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মিঃ ইসলামকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন, কারণ রাষ্ট্রপতি মিঃ ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন। সে সময় সেখানকার পরিস্থিতি কী ছিল তা বিবিসি বাংলার কাছে বর্ণনা করেছেন মহিতুল ইসলাম। কীভাবে বৃষ্টির মত গুলিবর্ষণের মুখে মারা গেলেন প্রথমে শেখ কামাল এবং এরপরে শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিজের চোখে দেখা সেই ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন মহিতুল ইসলাম। হত্যাকান্ডের পর দিনজুড়ে ঘটনা ঘটেছিল সেনাবাহিনীতে। সে সময় ঢাকা সেনানিবাসে লেফট্‌নান্ট কর্নেল ছিলেন বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আমিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি বর্ণনা করেছেন সেনাবাহিনীর ভেতর দুই ব্যাটালিয়ানের সেই অভ্যুত্থানের পেছনের কাহিনী।


পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান

................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ - জেলখানায় হত্যাকান্ড

চল্লিশে বাংলাদেশ - জেলখানায় হত্যাকান্ড


উনিশ্‌শ পচাত্তর সালের ৩রা নভেম্বর, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানকে হত্যার ঠিক ৭৯ দিন পরের ঘটনা। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ আর ঐ সময়কার অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচএম কামরুজ্জামান।

বলা হয় শেখ মুজিবর রহমানকে হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এই হত্যাকান্ড । তেসরা নভেম্বরের ঐ হত্যাকান্ড অনেকটা কাছে থেকে দেখেছিলেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের তৎকালিন জেলার আমিনুর রহমান । তিনি বলছেন কীভাবে সেনা অফিসাররা কারাগারে এসে চার বন্দী নেতাকে হত্যা করেছিলো। প্রয়াত তাজউদ্দিন আহমেদের কন্যা সিমিন হোসেনের কাছে শুনবেন কিভাবে তার পরিবার ঐদিন সকাল থেকে গুজব শুনছিলেন আর কিভাবে হত্যার বিষয়টি ধীরে ধীরে উন্মুক্ত হয়েছিল। অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল আমিন আহমেদ চৌধুরী জানাবেন সামরিক বাহিনীতে তখনকার দিনের ঘটে যাওয়া দুটি সেনা অভ্যুত্থান আর চলমান নেতৃত্বের টানাপোড়েন কিভাবে এই হত্যাকান্ডের পেছনে কাজ করেছিল।
সময়কাল: 12:40


নিহত চার নেতা: (ঘড়ির কাঁটার গতিপথ অনুযায়ী) সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামরুজ্জামান, এম মনসুর আলী।

................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................

চল্লিশে বাংলাদেশ - ৭ই নভেম্বরের অভ্যুত্থান

চল্লিশে বাংলাদেশ - ৭ই নভেম্বরের অভ্যুত্থান


বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনীতে এক অভ্যুত্থান। এরপরই সূচনা হয় পাল্টা আরেকটি অভ্যুত্থানের। এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বন্দীদশা থেকে মুক্ত হন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এর আগে ৩রা নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎতালীন সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানকে বন্দী করে খালেদ মোশারফ সেনা প্রধান হন। মূলত তার পর থেকেই পাল্টা আরেকটি অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা জোরদার হয়। সাতই নভেম্বরের অভ্যত্থানের প্রাণপুরুষ ছিলেন সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়া কর্ণেল মো: আবু তাহের। সাথে ছিল বামপন্থী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জাসদ।

কর্ণেল তাহেরের ছোটভাই এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো: আনোয়ার হোসেন এবং সাবেক সেনা প্রধান এবং বর্তমানে বিএনপি নেতা লে: জে: অব: মাহবুবুর রহমান বলছেন সেই সাতই নভেম্বরের অভ্যুত্থানের কথা।
সময়কাল: 13:56
খালেদ মোশাররফ

................................................................................................................
................................................................................................................
................................................................................................................